মধ্যপ্রাচ্য হল এশিয়াআফ্রিকার মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল। মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস আদিকাল থেকেই প্রসিদ্ধ ছিল এবং এর ইতিহাস থেকেই এটি সারা বিশ্বের এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। ইতিহাসের আদিকাল কাল থেকে এই অঞ্চল নানান কারণে বিখ্যাত ছিল। ধর্মীয় কারণে এই অঞ্চল যুগে যুগে বিখ্যাত ও শ্রদ্ধেয় হয়ে রয়েছে পৃথিবীর বুকে যেমন ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্ট ধর্ম, ইসলাম ইত্যাদি ধর্মের আবির্ভাব প্রচার ও প্রসার এই অঞ্চলে হয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যে শুস্ক ও গরম জলবায়ু বিদ্যমান। এর চারপাশে প্রধান কিছু নদী রয়েছে যা সীমিত এলাকায় কৃষি ব্যবস্থায় সহায়তা করে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ পারস্য উপসাগর তীরে অবস্থিত এবং প্রচুর অশোধিত পেট্রোলিয়াম জ্বালানী তেল সম্পদে ভরপুর। মধ্যপ্রাচ্য আধুনিক বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে, রাজনৈতিক, এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে বা জনপদে পরিণত হয়েছে।

দেশ এবং অঞ্চলসম্পাদনা

 
মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র
  বাহরাইন
এই দ্বীপ রাষ্ট্র, উপসাগরীয় আমিরাতের সবচেয়ে ছোট, এই অঞ্চলে তার আরও রক্ষণশীল প্রতিবেশী থেকে আসা দর্শকদের পরিচিত।
  মিশর
বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাচীন সভ্যতার আবাসস্থল, মিশর তার অসামান্য প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলির জন্য বিখ্যাত, তাদের মধ্যে পিরামিড, যার মধ্যে একটি প্রাচীন বিশ্বের একমাত্র অবশিষ্ট আশ্চর্য। দেশটিতে আসা পর্যটকরা লাল এবং ভূমধ্যসাগরের পাশাপাশি নীল নদের তীরেও উপভোগ করতে পারে।
  ইরান
ঐতিহাসিক স্থান, বিভিন্ন আকর্ষণ এবং বাস্তুতন্ত্রে পূর্ণ একটি দেশ যা মধ্য ও দক্ষিণ অংশের মরুভূমি থেকে উত্তরে কাস্পিয়ান সাগরের কাছে সুন্দর আর্দ্র বন পর্যন্ত বিস্তৃত। ইরান জাতিগতভাবে এবং সাংস্কৃতিকভাবেও বৈচিত্র্যময়, এবং হাখমানেশি সাম্রাজ্য এর প্রাণকেন্দ্র ছিল।
  ইরাক
অবসর ভ্রমণের জন্য খুবই বিপজ্জনক, যদিও নির্ভীক ভ্রমণকারীরা ইরাকি কুর্দিস্তান এ যেতে পারেন। সভ্যতার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা মেসোপটেমিয়া গড়ে উঠেছিল। ধ্বংসের পরেও রয়েছে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শনসহ বিখ্যাত ব্যাবিলন, হাত্রা, আশুর শহর।
  ইসরায়েল
ইহুদি এবং খ্রিস্টান উভয় ধর্মের উৎপত্তিস্থান, মুসলমানদের জন্য অসংখ্য পবিত্র স্থান, এছাড়াও দ্রুজ এবং বাহাই সহ সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং প্রাগৈতিহাসিক তাৎপর্যের স্থান রয়েছে। মরুভূমি, উপকূল এবং শীতকালে তুষার আচ্ছাদিত চূড়া সহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত একটি ছোট ভূমি, একটি প্রাণবন্ত রাত্রিজীবন।
  জর্দান
এই দেশটি, তার বিস্তীর্ণ মরুভূমি সহ, জর্ডান নদীর পূর্ব তীর এবং এর উপনদী যেমন ইয়ারমুক বরাবর উর্বর জমিও অন্তর্ভুক্ত করে এবং এতে সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক অবশেষ রয়েছে, বিশেষ করে জেরাশ এবং পেত্রা, যা বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের একটি, এবং অত্যন্ত নোনতা মৃত সাগর
  কুয়েত
সম্ভবত ইরাকের সংক্ষিপ্ত দখলদারিত্ব এবং ১৯৯০-১৯৯১ উপসাগরীয় যুদ্ধে ভূমিকার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক পরিচিত, কুয়েত একটি তেল সমৃদ্ধ আমিরাত যা শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গন্তব্য, সাধারণত পর্যটকদের জন্য নয়।
  লেবানন
এই ছোট্ট দেশটি সংস্কৃতি, ধর্ম, রাজনীতি এবং ভূখণ্ডে বৈচিত্র্যময়। বৈরুত বিশেষ করে একটি খুব উদার শহর হিসাবে বেশিরভাগ অংশের জন্য পরিচিত। যাইহোক, মাঝে মাঝে লেবাননের বিতর্কিত রাজনীতি প্রায়ই দেশে অস্থিতিশীলতার কারণ হয়।
  ওমান
একটি সালতানাত যা বেশিরভাগ ভ্রমণকারীদের জন্য নির্দিষ্ট পথ থেকে দূরে, এটিই একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইবাদি মুসলমান রয়েছে এবং এটি সুন্দর দৃশ্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
  ফিলিস্তিন
পশ্চিম তীর ঐতিহাসিক শহর যেমন বেথলেহেম, হেবরন এবং জেরিকো এর আবাসস্থল। গাজা ভূখণ্ড, যদিও ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে, সেখানে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে, এবং বেশিরভাগ ভ্রমণকারীদের জন্য নয়।
  কাতার
এই আরব উপদ্বীপটি মাথাপিছু জিডিপি (পিপিপি) পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ। এটি সম্ভবত আল জাজিরা মিডিয়া কর্পোরেশনের বিশ্ব সদর দপ্তর হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যেটি তার সরকারের মালিকানাধীন, এবং দ্বিতীয়ত, এর রাজধানী দোহা-এর আকর্ষণীয় আধুনিক স্কাইলাইনের জন্য।
  সৌদি আরব
এই তেল-সমৃদ্ধ মরুভূমির রাজ্য, বিশ্বের ইসলামিক আইনের কঠোরতম পক্ষে, মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র শহরের মক্কা এবং মদিনা দেশ।
  সিরিয়া
এই ঐতিহাসিক দেশটি প্রাচীনকালে উর্বর ক্রিসেন্টের অংশ ছিল এবং সেই থেকে সমস্ত ঐতিহাসিক সময়ের ছাপ রয়েছে, কিন্তু একটি রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যা শুধুমাত্র বিপুল সংখ্যক লোককে হত্যা করেনি এবং আরও বেশি বাস্তুচ্যুত করেছে এবং যুদ্ধকালীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন লুটপাট এবং ধ্বংস হয়েছে।
  তুরস্ক
একটি খুব বৈচিত্র্যময় দেশ যা আক্ষরিক অর্থে ইউরোপ এবং এশিয়ার সেতুবন্ধন করে, এতে রয়েছে ইস্তাম্বুল মহাজাগতিক মহানগর, অনেক ঐতিহাসিক স্থান এবং চমৎকার পর্বত, হ্রদ এবং উপকূলরেখা। তুরস্ক হল উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি দেশ, একটি বিশাল সাম্রাজ্য যা মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এবং ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার বৃহৎ অংশে কয়েক শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। বর্তমানে, এটি একটি সমৃদ্ধ এবং আধুনিক জাতি, যেখানে বিশাল কুর্দি, সার্কাসিয়ান এবং আরব সংখ্যালঘু জাতিগত তুর্কি জনগোষ্ঠী রয়েছে।
  সংযুক্ত আরব আমিরাত
তেল পরিবহন এবং বিদেশী শ্রমের একটি প্রধান কেন্দ্র যেখানে দুবাই, আবুধাবি এবং শারজাহ-এর মতো ব্যস্ত আধুনিক স্কাইলাইনের শহর রয়েছে।
  ইয়েমেন
ঐতিহ্যবাহী অট্টালিকা, উর্বর উচ্চভূমি এবং সুস্বাদু খাবারের জন্য বিখ্যাত এই সুন্দর দেশটি একটি নৃশংস গৃহযুদ্ধ এবং একটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক আন্তর্জাতিক বোমা হামলার কবলে পড়েছে।

শহরসম্পাদনা

  • বাগদাদ - ইরাক
  • বৈরুত - লেবানন
  • দামেস্ক - সিরিয়া
  • দুবাই - সংযুক্ত আরব আমিরাত
  • আবুধাবি - সংযুক্ত আরব আমিরাত
  • মানামা - বাহরাইন
  • রামাল্লাহ - ফিলিস্তিন
  • রিয়াদ - সৌদি আরব
  • সানা - ইয়েমেন
  • দোহা - কাতার
  • তেহরান - ইরান
  • জেরুসালেম - ইসরায়েল
  • তেল আভিভ - ইসরায়েল
  • কুয়েত সিটি - কুয়েত

পর্যটনসম্পাদনা

বৈশিষ্ট্যসম্পাদনা

ভূগোলসম্পাদনা

ইতিহাসসম্পাদনা

৩১৫০ খ্রিষ্টপূর্বে প্রথম ফারাও অধীনে উচ্চ ও নিম্ন মিশরের রাজনৈতিক একীকরণ সঙ্গে মিশরীয় সভ্যতা একসঙ্গে বেড়ে ওঠে। প্রায় পুরো মধ্য প্রাচ্যকে শাসন করতে আসা বেশ কিছু শক্তিশালী সাম্রাজ্য বিশেষ করে ১৩৬৫-১০৭৬ খ্রিষ্টপূর্বের অ্যাসিরিয়ান সাম্রাজ্য এবং ৯১১-৬০৫ খ্রিষ্টপূর্বের নব্য- অ্যাসিরিয়ান সাম্রাজ্য এর জন্য মেসোপোটেমিয়া ছিল বিচরণস্থান। খ্রিষ্টপূর্ব ৭ শতকের শুরুর দিকে এই এলাকা পারসিয়ান সাম্রাজ্যের ইরানিয়ান মিডিরা এবং পরবর্তি ইরানের রাজ্য সাম্রাজ্যের অধীনে থাকে। খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতকে বিস্তৃত রোমান সাম্রাজ্য পুরো পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের অনেকাংশই ছিল।বলকান থেকে ইউফ্রেটিস সাম্রাজ্য পর্যন্ত শাসন করেছিল এই পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য যা এখন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য নামে পরিচিত। এরা ক্রমবর্ধমানভাবে পরিচিতি পেয়েছিল এবং খ্রিষ্টধর্মের প্রতি অন্ধবিশ্বাসী ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে অনেক জায়গাতে তাদের খ্রিষ্টধর্ম মতবাদ প্রতিষ্ঠার হুকুম এবং বিশ্বাসীদের মধ্যে ধর্মীয় ফাটল ধরায়।৩য় থেকে ৭ম খ্রিষ্টাব্দে পুরো মধ্য প্রাচ্য শাসন করেছে বাইজেন্টাইন ও পারস্যের সাসনীয়রা। ৭ম শতাব্দী থেকে মধ্যপ্রাচ্য এ ইসলামের নতুন শক্তি জেগে উঠে,। আরবদের শাসন হঠাৎ করেই ১১ শতকের মাঝামাঝি এসে সেলজুক রাজবংশের তুর্কিদের আগমনের সঙ্গে শেষ হয়। ১৩ শতকের শুরুর দিকে নতুন আক্রমনকারীর দল, মঙ্গল সাম্রাজ্যের সৈন্য দল মূলত তুর্কীয়রা এ অঞ্চলে আসে। ১৫ শতকের শুরুর দিকে পশ্চিম আনাতোলিয়ায় নতুন শক্তি জেগে উঠে,উসমানীয় সাম্রাজ্য ,ভাষাগত ভাবে তুর্কীয় এবং ধর্মীয় ভাবে মুসলিম, যারা ১৪৫৩ তে কনস্টান্টিনোপল খ্রিস্টান বাইজেন্টাইন রাজধানী দখল করে এবং নিজেদের সুলতান বানায়।

১৬ শতকের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অংশ উসমানীয় ও ইরানিয়ান সাফাভিদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পরিনত হয়। ১৭০০ তে উসমানীয়রা হাঙ্গেরি থেকে বিতারিত হয় এবং পশ্চিমের পক্ষে সীমান্তে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতভাবে অপসারিত হয়েছিল। ব্রিটিশরাও পার্সিয়ান উপসাগরে তাদের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং ফরাসীরা তাদের প্রভাব লেবানন এবং সিরিয়াতেও বাড়িয়েছিল। ১৯১২ তে ইতালিয়ানরা উসমানীয় ভুখন্ডের আনাতোলিয়ার উপকূলের কিছু দূরে লিবিয়া ও ডোডেকানিস দ্বীপ দখল করে। ১৯ শতকের শেষ ও ২০ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপিয়ান শক্তির সাথে তাল মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের শাসকরা তাদের রাজ্যকে আধুনিক করতে চেষ্টা করেছিলেন। ১৯০৮ এ পারস্যে এবং পরে সৌদি আরব,লিবিয়া আলজেরিয়াসহ অন্যান্য পারস্য উপসাগরের রাজ্যে তেল আবিষ্কারের পর মধ্যপ্রাচ্য ঘুরে দাড়ায়। পশ্চিমের তেলের উপর নির্ভরতা এবং ব্রিটিশদের প্রভাবের পতনের জন্য আমেরিকার এই অঞ্চলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

১৯২০,১৯৩০,১৯৪০ এ সিরিয়া ও মিশর স্বাধীনতার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিল। ২য় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় ও পরে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ,ফরাসী ও সোভিয়েতরা বিদায় নিয়েছিল।১৯৪৭ এ জাতিসংঘের ফিলিস্তিন ভাগের পরিকল্পনা আরব ও ইহুদিদের মধ্যে সংগ্রাম চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। পরে স্নায়ুযুদ্ধের দুশ্চিন্তার মধ্যে,উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ার আরবি ভাষী দেশগুলো একাত্মতা উত্থান হয়। ইউরোপিয়ান শক্তির সরাসরি নিয়ন্ত্রন দূর,ইসরাইলের প্রতিষ্ঠা এবং তৈল শিল্পে গুরুত্ব আধুনিক মধ্যপ্রাচ্য তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশগুলোতে, রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি , অস্ত্র ও প্রতিপত্তি প্রকল্পে বাড়তি খরচ, এবং তেল রাজস্বের উপর অধিক নির্ভরতার জন্য বাজার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। অঞ্চলের সফল অর্থনীতি ছিল কম জনসংখ্যার তেল সম্পদযুক্ত দেশ গুলোতে,যেমন কাতার,বাহরাইন, কুয়েত, এবং আরব আমিরাত।

ভাষাসম্পাদনা

১. আরবী ২. হিব্রু

ঘুরে দেখুনসম্পাদনা

 
তেহরানের ভিতরের শহর বাস

এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল সহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় গণপরিবহনের কাঠামো দুর্বল। স্থানীয়দের অধিকাংশই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার জন্য বিমান বা গাড়ি ব্যবহার করে। যেখানে সুন্নি এবং শিয়া অঞ্চলগুলিকে ওভারল্যাপ করে এমন জায়গাগুলিতে কখনও কখনও আন্তঃসংযোগকারী পরিবহনের অভাব হয়।

কী দেখবেনসম্পাদনা

 
শিবাম, ইয়েমেন-"মরুভূমির ম্যানহাটন"-এ মাটি দিয়ে তৈরি বাড়ি

আপনি যদি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতায় আগ্রহী হন, তাহলে এই বিশ্বের অংশে যেতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যও আব্রাহামিক ধর্মের আবাসস্থল, এবং সেখানে পুরানো এবং নতুন উভয় উপাসনালয় রয়েছে এবং সেই সাথে পবিত্র বইয়ে উল্লেখ করা স্থান রয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে, আপনি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু দেখতে পারেন। বিশ্বের উচ্চতম কাঠামো, বুর্জ খলিফা সহ বিশ্বের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক আধুনিক ভবনগুলির মধ্যে কয়েকটি এখানে পাওয়া যাবে, আরও আছে ঝকঝকে শপিংমল, কৃত্রিম দ্বীপ এবং বিশ্বের কিছু ব্যস্ততম বিমানবন্দর।