"খুলনা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

৪,৪২১ বাইট বাতিল হয়েছে ,  ২ বছর পূর্বে
(সংশোধন)
===জল পথে===
==দর্শনীয় স্থান==
* '''ওয়ান্ডার ল্যান্ড শিশুপার্ক''' - খালিশপুর অঞ্চলে অবস্থিত একটি থিমপার্ক।
* সুন্দরবন - সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বনভূমি সুন্দরবন। অববাহিকার সমুদ্রমূখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
* '''ফুলতলা চিড়িয়াখানা ও পার্ক''' - গিলাতলায় অবস্থিত সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত চিড়িয়াখানা ও উদ্যান।
* দক্ষিণডিহি - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূণ্যস্মৃতিবিজড়িত স্থান দক্ষিণডিহি। ফুল,ফল আর বিচিত্র গাছগাছালিতে ঠাসা সৌম্য-শান্ত গ্রাম দক্ষিণডিহি। খুলনা শহর থেকে ১৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ফুলতলা উপজেলা। উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গেলে দক্ষিণডিহি গ্রাম। গ্রামের ঠিক মধ্যখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে রবীন্দ্র-মৃণালিনীর স্মৃতিধন্য একটি দোতলা ভবন। এটাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি।
* '''গল্লামারী স্মৃতিসৌধ''' - [[খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়]] এলাকায় অবস্থিত ১৯৭১ সালের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
* পিঠাভোগ - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – এর পূর্ব পুরুষের নিবাস খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে। খুলনা আঞ্চলিক প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতর এর পরীক্ষামূলক সমীক্ষায় পিঠাভোগ গ্রামে রবীন্দ্রনাথের পূর্ব পুরুষের ভিটার ভিত্তিপ্রস্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এখানে কবিগুরুর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবছর এখানে রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে।
* '''খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়''' - গল্লামারীতে অবস্থিত আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় যার নৈসর্গিক পরিবেশ খুবই সুন্দর।
* রাড়ুলী- বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (পি,সি,রায়)– এর জন্মভূমি। ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী রাড়ুলীতে স্যার পি.সি. রায় জন্ম গ্রহণ করে ছিলেন। পি,সি,রায় ছিলেন একাধারে বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও শিল্পী। সমাজ সংস্কারে মানবতা বোধে উজ্জীবিত ছিলেন তিনি। তদানিন্তন সময়ে পল্লী মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায় ব্যাংক পদ্ধতি চালু করেন। ১৯০৯ সালে নিজ জন্মভূমিতে কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। চারটি গ্রামের নাম মিলে ১৯০৩ সালে বিজ্ঞানী স্যার পি,সি,রায় দক্ষিণ বাংলায় প্রথম আর,কে,বি,কে হরিশচন্দ্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেন।
* '''খান জাহান আলী সেতু''' - লবনচরা এলাকায় অবস্থিত, স্থানীয় জনগণ প্রায়ই এখানে বেড়াতে আসে। ব্রিজের উপর থেকে খুলনা শহর এবং রূপসা নদীর দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
* সেনহাটি- খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি গ্রাম কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের জন্মস্থান। বাংলা সাহিত্যে কবির ‘দুটি কবিতা’ শীর্ষক ক্ষু্দ্র কবিতাটি কালজয়ী স্থান পেয়েছে। ‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি’ কিংবা ‘চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বূঝিতে পারে’ কবিতা বাঙালি জীবনে অবশ্যপাঠ্য হিসেবে বিবেচিত।
* '''খান এ সবুরের বাড়ি''' - লবনচরায় অবস্থিত, বর্তমানে পুলিশ ফাঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রূপসা নদীর তীরে নির্মিত সিঁড়ির দুপাশে দুটি সিংহের ভাস্কর্য আছে
* বকুলতলা,জেলা প্রশাসকের বাংলো - বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – এর স্মৃতিধণ্য খুলনার জেলা প্রশাসকের বাংলো। ১৮৬০-১৮৬৪ সাল খুলনার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর থাকাকালীন সময়ে এই বাংলোই ছিল তাঁর বাসস্থান। ভৈরব নদের তীরে অবস্থিত এই বাংলোর বকুলতলায় বসেই কবি রচনা করেছিলেন তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রেমের উপন্যাস ‘কপালকুন্ডলা’।
* '''প্রেম কানন''' - গাছ দিয়ে নির্মিত বিভিন্ন ভাস্কর্য আছে।
 
==খাওয়া দাওয়া==
==রাত্রী যাপন==
৪১৪টি

সম্পাদনা